সদ্যপ্রাপ্ত

যে কারনে আরও ৬ মাস বাঁচতে চেয়েছিলেন আব্দুল কাদের

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুল কাদের আজ না ফেরার দেশে চলে গেছেন। চলে গেলেন ‘ইত্যাদি’র আরো একজন নিয়মিত শিল্পী, সবার প্রিয় অভিনেতা আব্দুল কাদের।

প্রায় পঁচিশ বছর ধরেই তিনি ‘ইত্যাদি’র অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্ব ‘মামা-ভাগ্নে’র ‘মামা’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি নিজে যেমন এই চরিত্রটিকে ভালোবাসতেন, তেমনি দর্শকদের কাছেও প্রিয় ছিল এই ‘মামা’ চরিত্রটি।

অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল জীবন-যাপন করতেন কাদের ভাই। দেখে কখনও মনেই হয়নি এত বড় একটি রোগ তার শরীরের এতটা ক্ষতি করে ফেলেছে। গত ৩০ অক্টোবর প্রচারিত ‘ইত্যাদি’ই ছিল কাদের ভাইয়ের জীবনের শেষ অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানটির ধারণের সময়ই কাদের ভাইকে কিছুটা অসুস্থ ও মলিন দেখাচ্ছিল। আগের সেই উচ্ছ্বাস ছিল না। ধারণ শেষে যাবার সময় বলেছিলেন তার শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। দোয়া চাইলেন।

এরপর হঠাৎ করে শুনলাম তিনি চেন্নাইয়ের হাসপাতালে। ভিডিও কলে কথা হলো। মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি, নাকে অক্সিজেন মাস্ক। কাদের ভাইয়ের এই চেহারা দেখবো কখনও কল্পনাও করিনি। আমাকে দেখে আবেগে কেঁদে ফেললেন।

এরপর চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে নামার পর আবার কথা হলো। বললেন, ‘দেশের মাটিতে এসেছি, দোয়া করবেন যাতে আবার একসাথে কাজ করতে পারি।’ আবারও সেই কান্নাভেজা কণ্ঠ। আরো ৬টি মাস বাঁচতে চেয়েছিলেন কাদের ভাই কিন্তু মৃত্যু তাকে সে সুযোগ দেয়নি। এত দ্রুত যে তিনি এতটা অসুস্থ হবেন এবং আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন তা কল্পনাও করিনি।

কাদের ভাই শুধু ‘ইত্যাদি’র নিয়মিত শিল্পীই ছিলেন না, ছিলেন ‘ইত্যাদি’ পরিবারের একজন সদস্য। গুণী এই অভিনেতার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা তার জন্য মাগফেরাত কামনা করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

এছাড়াও চেক করুন

রসগোল্লার স্বাস্থ্য উপকারিতা জানলে অবাক হয়ে যাবেন

মিষ্টির প্রতি ভালোবাসা কার না রয়েছে। আর যদি হয় রসগোল্লা, তাহলে তো কথাই নেই। রসগোল্লা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *