Friday , February 28 2020
Home / জাতীয় / নিজের স্বার্থ জড়িত আছে এমন ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের বাইরে রাখা উচিত

নিজের স্বার্থ জড়িত আছে এমন ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের বাইরে রাখা উচিত

নিজের স্বার্থ জড়িত আছে এমন ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের বাইরে রাখা উচিত বলে মনে করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যেখানে জনস্বার্থ জড়িত সেখানে যাদের স্বার্থ রয়েছে তারা যদি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন প্রত্যেকেই নিজের স্বার্থ দেখার চেষ্টা করেন। প্রভাশালী হলে তারা চেষ্টা করেন নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার। ফলে তখন জনস্বার্থ রক্ষিত হয় না।

তিনি আরও বলেন, যারা বাস মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন করেন, তারা যখন এমপি-মন্ত্রী হন, আইন প্রণেতা হন তখন একটা সংকট তৈরি হয়। বাস মালিক সমিতির প্রধান হচ্ছে সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, আর শ্রমিক সংগঠনের নেতা হচ্ছে নৌমন্ত্রী। সড়ক পরিবহন সম্পর্কে সরকার যখন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে যায়, অনেকের ধারণা তারা তখন অনেক মারপ্যাচ করে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। এখানে পরিবর্তনের চিন্তা করা যায় কিনা ভেবে দেখতে পারে সরকার। আপাত যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেখানেও কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় বাস-মালিক ও শ্রমিক সংগঠন সংশ্লিষ্ট কেউ নেই তা যদি দেখানো যায় তাহলে সরকারের জন্য তা ইতিবাচক হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. মীজানুর রহমান বলেন, মানুষের আস্থার সংকট নিরসনে সরকারকেই দায়িত্ব নিতে হবে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথাবার্তায় আস্থায় রাখার মতো সংকট তৈরি হয় তখন প্রতিশ্রুতি রাখবে কিনা এ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। সরকারের এমন কিছু পদক্ষেপ নেওয়া উচিত যাতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আশ্বস্থ হয়। তারা যেন মনে করতে পারে এই আন্দোলনের একটা ইতিবাচক পরিণতি আছে।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনা ঘটার পর দায়ীদের শাস্তি হবে কি হবে না তার চেয়ে বেশি দরকার যেকোনো অবস্থাতেই ফিটনেসহীন বা ড্রাইভিং লাইসেন্সহীন কোনো গাড়ি যেন রাস্তায় না নামে। এজন্য নতুন কোনো আইন করা দরকার নেই, বিদ্যমান আইনেই তা সম্ভব।

এছাড়াও দেখুন

বাংলাদেশে চালু হচ্ছে ‘গোল্ড ব্যাংক’

বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এবার বাংলাদেশেও চালু হচ্ছে গোল্ড ব্যাংক। মাত্র এক ঘণ্টায় …